Latest Post



সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য অক্সিজেন কনসেনটেটর যন্ত্র প্রদান করেছেন ৮৫-যশোর-১ এর সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দীন। 



করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতায় আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে একান্ত নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে তিনি এই অক্সিজেন কনসেনটেটর প্রদান করেন।


মঙ্গলবার সকালে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  সভাকক্ষে সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিনের পক্ষ থেকে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের হাতে এই অক্সিজেন কনসেনটেটর যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়। 


উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলী জানান অক্সিজেন কনসেনটেটর প্রতি মিনিটে ৫ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারবে এবং কনসেনটেটর নিজেই প্রকৃতি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে সক্ষম। 

 উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল হক মঞ্জু। 


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা, শার্শা থানা অফিসার ইনচার্জ বদরুল আলম খান, জেলা পরিষদ সদস্য ও নাভারণ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খলীল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

সোনারগাঁও টিভি,

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে উপজেলার বারদী এলাকায় গতকাল (৫ জুলাই) সোমবার এক প্রবাসী পল্ট্রীর্ফাম ভাংচুর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী নাজমা আক্তার বাদী হয়ে গতকাল বিকেলে সোনারগাঁ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।



অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উপজেলা বারদী ইউনিয়নের চান্দের পাড়া গ্রামের সৌদী প্রবাসী আব্দুল হকের স্ত্রী নাজমা আক্তার (৩৫) তার সন্তানদের নিয়ে নিজ বাড়িতে বসবাস করে আসছিল। দীর্ঘদিন যাবৎ তারই বাসুর মোঃ ফারুক প্রবাসীর স্ত্রী নাজমা আক্তার কাছে চাঁদাদাবী করে আসছিল চাঁদা না দেয়ায় একাধীক তাদের উপর হামলা চালিয়েছে ওই সন্ত্রাসী বাহিনীরা এবং তার দেবর আমির হোসেন কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন কিন্ত্র নাজমা কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কারনে অকারনে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।

এরই জের ধরে সোমবার সকালেমোঃ ফারুক, আমির হোসেন, হাবিবুল্লাহ সহ আরোও অঞ্জাত নামা ৭/৮ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী প্রবাসীর আব্দুল হকের দলরদী পুরান নগর এলাকায় পল্ট্রী খামার ভাংচুর ডিম পাড়া উপযোগী প্রায় ৭ লাখ টাকার মূল্যের ৩ হাজার মুরগী সহ পল্ট্রী খামারের মালামাল লুট নিয়ে যায়। এতে প্রবাসী মোট ১৯ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে।

এ ঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী নাজমা আক্তার তার পরিবারের সদস্যদের নিরাপ্তার ও পল্ট্রীর্ফাম ভাংচুর মুরগী সহ মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় গতকাল বিকেলে সোনারগাঁ থানায় প্রবাসীর স্ত্রী নাজমা আক্তার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ ব্যাপরে সোনারগাঁ থাানার ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

 সোনারগাঁও টিভি,

 সোনারগাঁয়ে নতুন করে একদিনে আরো ১২ জনের দেহে করোনা সনাক্ত হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার পলাশ কুমার সাহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যা নমুনা সংগ্রহের তুলনায় সনাক্তের হার ৮০ শতাংশ।




 তিনি জানান, সোমবার সকালে পাওয়া তথ্যনুযায়ী ১৫ জনের করোনা ভাইরাসের নমুনা পরিক্ষা করে ১২ জনের দেহে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- টিপরদি, আমিনপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- নুনেরটেক, বারদি। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- বাড়িমজলিশ, মোগরাপাড়া। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- মল্লিকপাড়া, আমিনপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- খালপার, চেংগাইন। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- খালপার, চেংগাইন। ২ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- হাবিবপুর, মোগরাপাড়া। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- মেঘনা টোল প্লাজা, পিরোজপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- কুতুবপুর, কাঁচপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- কাঁচপুর, কাঁচপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- কুতুবপুর, কাঁচপুর। নিম্মে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য দেয়া: সর্বশেষ প্রাপ্ত ১৫ জনের ফলাফল অনুযায়ী ১২ জন COVID-19 পজিটিভ ও ৩ জন নেগেটিভ এসেছে।  পজিটিভের তথ্য : – ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- টিপরদি, আমিনপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- নুনেরটেক, বারদি। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- বাড়িমজলিশ, মোগরাপাড়া। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- মল্লিকপাড়া, আমিনপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- খালপার, চেংগাইন। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- খালপার, চেংগাইন। ২ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- হাবিবপুর, মোগরাপাড়া। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- মেঘনা টোল প্লাজা, পিরোজপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- কুতুবপুর, কাঁচপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্কা মহিলা- কাঁচপুর, কাঁচপুর। ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- কুতুবপুর, কাঁচপুর।  নেগেটিভের তালিকাঃ ১. আনোয়ার,৫৫ বছর ইউনিক পাওয়ার প্ল্যান্ট, পিরোজপুর। ২. নির্মল,৪৫ বছর ইউনিক পাওয়ার প্ল্যান্ট, পিরোজপুর। ৩. সোবহান, ৪০ বছর নানাখি, সাদিপুর। * কোভিড-১৯ এর জাতীয় গাইডলাইনের ৯ম সংস্করণ অনুযায়ী নির্ধারিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিম্নোক্ত ১ জন সুস্থতা লাভ করেছেন :- ১. মুরাদ হোসেন, ৪৫ বছর প্রতাপনগর, পিরোজপুর। ২. রঞ্জিত,৬৯ বছর জয়রামপুর, আমিনপুর। ৩. শরিফ আহমেদ,৫০ বছর অর্জুন্দি, আমিনপুর। ৪. জয় কৃষ্ন, ৩৬ বছর মেঘনাঘাট, পিরোজপুর। ৫. আব্দুস সাত্তার,৫৫ বছর ঈমানেরকান্দি, সনমান্দি। ৬. মনিরুল ইসলাম,৪৫ বছর মোগরাপাড়া, মোগরাপাড়া।


সোনারগাঁও টিভি:

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়া পাড়া গ্রামে সামন্য বৃষ্টিতে জলাবন্ধতা সৃষ্টি হয়ে দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ফলে তাদের স্বাভাবিক কাজ কর্ম করতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। গত দুদিনে টানা বৃষ্টির ফলে ওই এলাকার মানুষের ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। একটি কোম্পানির অপরিকল্পিত বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে এ জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এক দিকে লগডাউন অন্যদিকে জলাবন্ধতার কারনে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ মনে করছেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে আজ (৪ জুলাই() সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আতিকুল ইসলাম ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের পাশে পশু খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘মার্স ফিড’ নামের একটি কোম্পানি গড়ে উঠে। এ কোম্পানি গড়ে উঠার পর থেকে এ এলাকার মানুষ বিভিন্ন সমস্যার মধ্যেই বসবাস করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে এ কোম্পানির পশু খাদ্য তৈরির কাঁচামালের দূর্গন্ধে এ এলাকায় বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও এ কোম্পানি অপরিকল্পিতভাবে বালু ভরাট করার ফলে এ এলাকার পানি নিষ্কাষনের কোন ব্যবস্থা নেই।

গত দুদিনের টানা অতি বৃষ্টির কারনে পানি জমে বাড়িঘর তলিয়ে গিয়ে এ এলাকার প্রায় ২ শতাধিক মানুষের ঘরে পানি ঢুকে যায়। ফলে পানি বন্দি হয়ে পড়ে মানুষ। সরেজমিনের গিয়ে দেখা যায়, সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পানি জমে আছে। অনেক ঘরে পানি ঢুকে তাদের আসবাবপত্র, কাপড় চোপর নষ্ট হয়ে আছে। এমনকি রান্নাঘর ও বসবাসের ঘরেও হাটু সমান পানি উঠে গেছে। ওই এলাকার বাসিন্দরাও ঘরে উঠা নষ্ট পানিতে থালা বাটি ধৌত করছেন। ওই এলাকার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন।

সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের গৃহবধু অনিতা রানী সরকার বলেন, কোম্পানির বালু ভরাট করায় এ অঞ্চলের বৃষ্টির পানি নদীতে নামতে না পারায় পানি জমে জলাবন্ধতা সৃষ্টি হয়ে এ পানি ঘরে ঢুকে পড়েছে। ফলে আমাদের ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালপত্র পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা রেখে বালু ভরাট করলে এ সমস্যার সৃষ্টি হতো না।

বৈদ্যেরবাজার গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, এ কোম্পানি হওয়ার আগে আমাদের জলাবন্ধতার কোন সমস্যা ছিল না। বৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি মেঘনা নদীতে নেমে যেতো। বর্তমানে বালু ভরাট করায় আমাদের জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমাদের রান্না বান্না, বাথরুমসহ বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের সবুজ মিয়া বলেন, গত দুদিনের বৃষ্টিতে ঘরে পানি উঠে আমাদের খাবার দাবার, রান্না বান্না করা যাচ্ছে না। আমাদের না খেয়ে শিশুরা অনেক কষ্ট করছে। .

পশু খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মার্স ফিডের জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের জায়গা ভরাট করলে যদি জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়ে আমাদের কিছু করার থাকে না।

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। একটি কোম্পানির অপরিকল্পিত বালু ভরাটের কারনে এমন সমস্যা হয়েছে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে ওই কোম্পানিকে জলাবন্ধতা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোনারগাঁও টিভি,


ইকরামুল ইসলাম  (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসনা শারমীন মিথি করোনা মহামারীতে মাঠ পর্যায়ে নিরলস ভাবে সেবা দিয়ে চলেছেন। করোনার সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারত ফেরত বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীদের সেবা দিয়ে আসছেন তিনি। কিন্তু নিজের কথা একবারও চিন্তা করে দেখেন নাই তিনি। দিনরাত ভারত থেকে আশা যাত্রীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।


করোনা মহামারীতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন। উদ্দেশ্য হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত হতে আগত বাংলাদেশিদের দুই সপ্তাহের জন্য বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা।

কোভিডি-১৯ মহামারির সাম্প্রতিক ঢেউ ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বিরাট আঘাত হেনেছে এবং ভারতীয় ভেরিয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ট্রিপল মিউটেন্ট করোনা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য ভারতের সঙ্গে যাত্রী চলাচলে সাধারণ নিষধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে যাদের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে তারা কলকাতাস্থ বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি সংগ্রহ করে দেশে আসতে পারবেন তবে দেশে যাবার পরে আবশ্যিক ভাবে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নিজ খরচে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে থাকতে হবে। অত্যন্ত চটপটে প্রশাসনের নারী কর্মকর্তা রাসনা শারমীন মিথি এ কাজটি করে যাচ্ছেন। তিনি হয়ত একদিন শার্শা হতে বিদায় নেবেন কিন্তু শার্শার মানুষ তাকে কখনো ভূলতে পারবে না।

উপজেলার এক প্রান্ত থেকে ওপর প্রান্ত পর্যন্ত সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত করোনা মহারীকে থেকে মানুষকে সচেতন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। নিজে ভয়ঙ্কর মহামারী করোনা ভাইরাসকে ভয় না পেয়ে সাধারন জনগনকে বাঁচাতে মাঠপর্যায়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশাসনের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হিসাবে তার এ কর্মকান্ড প্রশংসার দাবী রাখে।

 শার্শা-বেনাপোলে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে প্রস্তুত প্রশাসন

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের  শার্শা ও বেনাপোল কঠোর ভাবে সর্বাত্বক লকডাউন পালিত হচ্ছে। রাস্তায় দু একজন পথচারী ছাড়া কাউকে আসতে দেয়া হচ্ছে না। নতুর করে ৭দিনের কড়াকড়ি লকডাউনের প্রথম দিন পুলিশের পাশাপাশি সেনা বাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। বন্ধ রয়েছে দোকান-পাট ও শপিংমল। চলছে না কোন ভ্যান, রিকসা, ইজিবাইক বা অন্য কোন মোটর যান। তবে সরকারের রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে বন্দরে আমদানী-রফতানী বাণিজ্য সচলসহ লোড-আনলোড প্রক্রিয়া স্বাভাবিক আছে।


কাঁচা বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। খাবারের দোকান, হোটেল রেস্তোরা সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ পর্যন্ত পার্সেলে বেচাকেনা করতে পারবে। সকল প্রকার গনজমায়েত, সভা সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঔষুধের দোকান, আইন শৃখংলা বাহিনী ও তাদের বহনকারী গাড়ী, সংবাদকর্মিদের গাড়ী লক ডাউনের আওতামুক্ত থাকবে। সাধারন মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাঠে কাজ করছেন উপজেলা প্রশাসনসহ সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান, পুলিশ প্রশাসন বেনাপোল পৌরসভা ও শার্শা উপজেলার প্রবেশ মুখে সকল সংযোগ সড়কে বাঁশের ব্যারিকেট দিয়ে সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। সড়ক-মহাসড়কের ১২ পয়েন্টে বসানে হয়েছে পুলিশের নিয়ন্ত্রিত চেকপোষ্ট। #

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget