Articles by "জাতীয়"

সোনারগাঁও টিভি,

১৯৬৬ সালের ১৩ মে আওয়ামী লীগ আয়োজিত পল্টনের এক জনসভায় ৭ জুন হরতালের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। জুন মাসব্যাপী ৬-দফা প্রচারে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হয়।

৭ জুন তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল বেভারেজের শ্রমিক সিলেটের মনু মিয়া গুলিতে প্রাণ হারান। এতে বিক্ষোভ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।



তেজগাঁওয়ের ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। আজাদ এনামেল অ্যালুমিনিয়াম কারখানার শ্রমিক আবুল হোসেন ইপিআর-এর গুলিতে শহীদ হন।


একইদিন নারায়ণগঞ্জ রেল স্টেশনের কাছে পুলিশের গুলিতে মারা যায় ৬ জন শ্রমিক। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সন্ধ্যায় কারফিউ জারি করা হয়।


হাজার হাজার আন্দোলনকারী মানুষ গ্রেফতার হন। বহু জায়গায় বিক্ষুব্ধ জনতা গ্রেফতারকৃতদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। ৬-দফা ভিত্তিক আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। শহীদের রক্তে আন্দোলনের নতুন মাত্রা গড়ে ওঠে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয় শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের আন্দোলন।

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলসমূহের জাতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবি উত্থাপন করেন। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭০-এর ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিচালিত ৬-দফা আন্দোলনই ছিল সে সময়ে দেশের সমস্ত রাজনৈতিক কর্মতৎপরতার কেন্দ্র বিন্দু।


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গৌরবময় অধ্যায় হলো ৬-দফা আন্দোলনে নেতৃত্ব। এই ৬ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই ১৯৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান, ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ তথা বাঙালির বিপুল বিজয় এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের মধ্য দিয়ে বিশ্বের স্বাধীন মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।  


৬ দফা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’তে রূপান্তরিত হন।


৬-দফার পক্ষে জনমত সংগঠিত করার লক্ষে সারা বাংলায় গণসংযোগ শুরু করেন শেখ মুজিবুর রহমান। এ সময় তাঁকে সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকায় বার বার গ্রেফতার করা হয়। ১৯৬৬-এর প্রথম তিন মাসে তিনি আটবার গ্রেফতার হন।


১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথম অভিযুক্ত করে মোট ৩৫ জন রাজনীতিক, বাঙালি সেনা ও উচ্চপদস্থ বেসামরিক অফিসারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ এনে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়।


১৯৬৯ সালে ৫ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানের ৬-দফাসহ ছাত্রদের ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় এবং ওই পরিষদ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও শেখ মুজিবুর রহমানসহ সবার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গণআন্দোলন গড়ে তোলে।

অবশেষে গণমানুষের অব্যাহত চাপের মুখে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার ২২ ফেরুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্যদের মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

প্রতিবারের মতো এবারও ৬ দফা দিবসটিকে যথাযথ মর্যাদায় পালনের জন্য বিস্তারিত কর্মসূচি নিয়েছে আওয়ামী লীগ।


সোনারগাঁও টিভি,

ঢাকা,২ জুনঃ- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মধ্য আফ্রিকান রিপাবলিকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত ১২৫ জন শান্তিরক্ষী প্রতিস্থাপন করছে। প্রতিস্থাপন কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর ১২৫ জন সদস্য জাতিসংঘ কর্তৃক ভাড়া করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এর একটি বিমানে বুধবার ০২ জুন ২০২১ তারিখে মধ্য আফ্রিকান রিপাবলিকের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। 



বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর এই আর্মড মিলিটারি ইউটিলিটি হেলিকপ্টার ইউনিটের নেতৃত্বে থাকবেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন শাহ কাওসার আহমেদ চৌধুরী, বিএসপি, পিএসসি। উল্লেখ্য, বিবাদমান সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদস্যরা অত্যন্ত দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে সে দেশের সরকার এবং আপামর জনসাধারণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।


 তাঁদের অর্জিত এ সুনাম ও সাফল্য অক্ষুন্ন রেখে শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যৎ দিনগুলোতে যেন আরো উৎকর্ষতা অর্জন করতে পারে, এ কামনা করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে এক মোনাজাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বিমান বন্দরে উপস্থিত থেকে তাদেরকে বিদায় জানান। এর আগে গত ৩০ মে ২০২১ তারিখে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বিবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি মধ্য আফ্রিকান রিপাবলিকগামী বিমান বাহিনী কন্টিনজেন্ট সদস্যদের উদ্দেশ্যে ঘাঁটি বাশার-এ ব্রিফিং প্রদান করেন এবং মিশনের সাফল্য কামনায় বিশেষ মোনাজাতে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে তাদেরকে সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তথা দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনার আহবান জানান এবং করোনাভাইরাস এর বিস্তার রোধ ও এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে বিশেষ সতর্কতা অনুসরনের পরামর্শ দেন।

সোনারগাঁও টিভি।

উসকানিমূলক ও রাষ্ট্রবিরোধী কথাবার্তা এবং রাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যক্তিদের নিয়ে কটাক্ষ করার অভিযোগে ইসলামি বক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছে র্যাব। বুধবার (৭ মার্চ) নেত্রকোনা থেকে তাকে আটক করা হয়।


র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

এর আগেও

‘শিশু বক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী শাপলা চত্বরে আটক

‘শিশু বক্তা’ এর আগে গত ২৫ মার্চ মতিঝিল এলাকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরবিরোধী মিছিল ও ভাঙচুরের সময় রফিকুল ইসলাম মাদানীকে আটক করেছিল পুলিশ। তবে কয়েক ঘণ্টা পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, রফিকুল ইসলাম মাদানী নেত্রকোনা জেলার পশ্চিম বিলাসপুর সাওতুল হেরা মাদ্রাসার পরিচালক।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উর্দ্ধগতির কারণে এক সপ্তাহের লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার।



জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে    বলেছেন, এক সপ্তাহের এই 'লকডাউন' সোম অথবা মঙ্গলবার শুরু হতে পারে।


এখই চূড়ান্ত দিন তারিখের কথা উল্লেখ করেননি মি. হোসেন, তিনি বলছেন জনগনকে প্রস্তুতি নেবার সুযোগ দেয়া হবে।


তবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বরাত দিয়ে স্থানীয় গনমাধ্যমগুলো বলছে, সোমবার শুরু হবে 'লকডাউন'।


কীভাবে এই লকডাউন কার্যকর হবে তার বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি।


তবে ফরহাদ হোসেন জানাচ্ছেন, জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়া গার্মেন্ট ও অন্যান্য শিল্প-কারখানাগুলো লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে।


সরকার বলছে করোনাভাইরাসে দ্বিতীয় ঢেউ সামলানোর জন্য এটা করা হয়েছে।


গত এক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে যে সংখ্যায় রোগীর সংখ্যা বাড়ছে তাতে করে প্রতিদিনই শণাক্তের আগের সর্বোচ্চ সংখ্যা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বুলেটিনে জানানো হয় ২৪ ঘণ্টায় ২৯,৩৩৯ টি নমুনা পরীক্ষায় ৬,৮৩০ জনের মধ্যে কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে।


পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩.২৮ শতাংশ।


এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  



 মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আ. ক. ম. মোজাম্মেল হক এমপি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরু  পূর্বে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে  প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ হয়েছিল '৭১- এর  ১৯ মার্চ গাজীপুরে। স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পূর্বে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায়  এ প্রতিরোধ যুদ্ধ মুক্তিকামী বাঙালি জাতিকে অনুপ্রাণিত করেছিল। ইতিহাসের স্বার্থে ১৯ মার্চের প্রথম সশস্ত্র  প্রতিরোধের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া  প্রয়োজন । 

আজ ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের  জন্মশতবার্ষিকী ও ১৫ ডিসেম্বর গাজীপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে "ঊনিশে মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটি" আয়োজিত  আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।  

এসময় পৃথিবীর সকল মুসলিম প্রধান দেশে ভাস্কর্য আছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই ভাস্কর্য আছে। গাজীপুরেও প্রথম প্রতিরোধের ভাস্কর্য ১৯৭২ সাল থেকে আছে। সেসব ভাস্কর্য নিয়ে কখনও কেউ  কিছু বলেনি,  কিন্তু জাতির পিতার ভাস্কর্য নিয়ে তারা কথা বলার ধৃষ্টতা দেখায়। 

বিজয়ের এত বছর পর সাম্প্রদায়িক শক্তির আস্ফালন দুঃখজনক উল্লেখ করে মন্ত্রী  বলেন,  যারা আজ ধর্মের নাম করে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যে ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছে  এরাই ' ৫২ এর ভাষা আন্দোলন, '৫৪ ও '৭০ এর নির্বাচন এবং ১৯৭১এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলা ভাষা, বাঙালি জাতিসত্তা ও বাঙালির  ন্যায়সঙ্গত অধিকারকে  ইসলামের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বাঙালি জাতি এসব ধর্ম ব্যবসায়ীদের মুখোশ  উন্মোচন করে প্রতিহত করবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

সভায় ২০২১  সালে ১৯ মার্চ প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দিবস  সুবর্ণজয়ন্ত্রী উদযাপন বিষয়ে বিস্তাারিত  আলোচনা হয়।  

সংগঠনের সমন্বয়কারী সাংবাদিক আতাউর রহমানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শামসুন নাহার ভুইয়া এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা কাজী মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, আনোয়ার হোসেন অধ্যাপক এম.এ.বারী, গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট রীনা পারভীন, সিনিয়র সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য আশরাফ খান ও সাংবাদিক আশিষ সৈকত, সাংবাদিক মোহাম্মদ আল মামুন, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর আবদুল আলীম মোল্লা, বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সভাপতি ও পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মানিক, আওয়ামী লীগ নেতা মো.শহীদুল্লাহ , বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. জালাল আহমদ, বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের সভাপতি লায়ন গণি মিয়া বাবুল, গাজীপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি এম এ সালাম শান্ত ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। 

সভায় নেতৃবৃন্দ  বলেন, ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ  সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল গাজীপুর থেকে। আবার ১৯৭১ সালের ১৫ ডিসেম্বর সর্বশেষ যুদ্ধ হয়েছিল এই গাজীপুরের ছয়দানাসহ বিভিন্ন এলাকায়। ৭ মার্চের ভাষণ এবং ১৯ মার্চ সশস্ত্র প্রতিরোধ যুদ্ধ এবং যুদ্ধকালীন সময়ে গাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে পাকবাহীনির সাথে যে যুদ্ধ হয়েছিল তার ঘটনা পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করা উচিত। ১৯ মার্চকে স্বীকৃতি দিলে ইতিহাস তার সঠিক অবস্থানে থাকবে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ স্বাধীনতার মূল ভাষণ হিসেবে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে। ইতিহাসের স্বার্থে ১৯ মার্চে সশস্ত্র  প্রতিরোধের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া  প্রয়োজন ।

  




 বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম(বিএমএসএফ)২৭ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ৪র্থ কাউন্সিল -২০২০  জাতীয় প্রেসক্লাব ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়েছে উক্ত কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে মনোনীত হয়েছে,ডা.মুহাম্মদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ। ডা.মাজেদ তার বার্তায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান কেন্দ্রীয় মহাসচিব   আহমেদ আবু জাফর ও সভাপতি শহিদুল ইসলাম পাইলট সহ সকল কাউন্সিলরদের যারা আমাকে মফস্বল সাংবাদিকদের বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)এর কেন্দ্রীয়  ২০২০-২০২২ কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে  মনোনীত করেছেন।
উল্লেখ ডা.মাজেদ বাংলাদেশের বিশিষ্ট হোমিও গবেষক ও জাতীয় দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা স্বাস্থ্য পাতার সম্পাদক, জাতীয় মানবাধিকার সংস্থা, হিউম্যান রাইটস রিভিউ সোসাইটির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা, পরিবেশবাদী সংগঠন সবুজ আন্দোলন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ'র সম্পাদক, হোমিও বিজ্ঞান গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র'র কো-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক কল্যাণ সোসাইটির কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক  সহ দায়িত্ব পালন করে আসছে  ।ডা.এম এম মাজেদ বাংলাদেশের সকল জাতীয় দৈনিক বাংলা ইংরেজি পএিকার উপসম্পাদকীয় পাতার নিয়মিত লেখক।

 সো


নারগাঁয়ে ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত।


ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সোমবার দুপুরে উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের ভেতরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্যে পুস্পার্ঘ অর্পন, আলোচনা সভা ও কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করা হয়েছে।
সোনারগাঁ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসান রাশেদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদুর রহমান মাসুম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুবুর রহমান রবিন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, জাহিদ হাসান বাবুসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরাসহ অন্যান্য ছাত্রলীগ নেতারা।
আলোচনা শেষে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটেন ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুমসহ ছাত্রলীগ নেতারা। পরে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি র্যালী বের করা হয়।

 

পুলিশ পরিবারের সন্তানদের মানসিক বিকাশে পুনাকের মতবিনিময় সভা



বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক) পুলিশ পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও তাদের সন্তানদের মানসিক বিকাশ এবং মেধার উন্নয়নে গত তিন দশক ধরে কাজ করে আসছে।

নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পুনাক আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজন করেছে পুলিশ পরিবারের ১০ থেকে ১৮ বছর বয়সী সন্তানদের জন্য “এসো শিখি ও মনের কথা বলি” শীর্ষক এক মতবিনিময় সভার । সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জা।

পুনাকের বিভিন্ন স্তরের সদস্যাবৃন্দ এবং পুলিশ পরিবারের ৫৯ জন সন্তান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুনাক সভানেত্রী বলেন, আমাদের সন্তানদের মনের দরজা খুলে দিতে আমাদের এ প্রচেষ্টা। পিতা-মাতার পেশা সম্পর্কে সন্তানদের উপলব্ধি কি ও তারা কিভাবে পরিবারকে মূল্যায়ন করে তা তাদেরকে জানানো আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে উপস্থিত সকলের প্রতি আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুনাকের প্রচার ও সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা নাসিম আমিন। তিনি বলেন, শিশুদের সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে পিতা-মাতার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সন্তানের মানসিক বিকাশে পিতা-মাতার সচেতনতার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

দুই পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে শিশু-কিশোরদের মাঝে সাইবার বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধি ও সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন ডিএমপি'র কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহ্ফুজা লিজা। তিনি শিশু-কিশোররা কিভাবে নিজেদের অজান্তে সাইবার স্পেস ঝুঁকিতে পড়ে, এসব ঝুঁকি এড়াতে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করা যেতে পারে, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম একাউন্টের নিরাপত্তা বিধানে কি করণীয় ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করেন।

দ্বিতীয় পর্ব পুলিশ পরিবারের সন্তানদের সাথে পুনাক সভানেত্রীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নাইমা নিগার শিশু-কিশোরদের পরিবারে, স্কুলে এবং বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন মনস্তাত্বিক অভিজ্ঞতা ও সমস্যা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।


 


 

 

 

 এরফান হোসেন দীপ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সাংসদ এবং নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোবারক হোসেন এর একমাত্র পুত্র।


১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
ওই নির্বাচনে সোনারগাঁও থেকে প্রথমবারের মতো আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী হন মোবারক হোসেন।

মোবারক হোসেন ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি মোট ৪২,৮৭২ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন। তৎকালীন সংসদে বয়সের দিক থেকে মোবারক হোসেন ছিলেন সর্ব কনিষ্ঠ সংসদ সদস্য। প্রথম সংসদ নির্বাচনে মোবারক হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি ছিলেন ন্যাপ(ভাসানী)

১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে মোট ভোট কেন্দ্র ছিল ৬০টি। নির্বাচনী এলাকার নাম্বার ছিল ২০৪, নারায়ণগঞ্জ-৩। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ প্রার্থী হিসেবে মোবারক হোসেন ৫১,১৬৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধি স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান মিলু পান ২৪,৮৮৫ ভোট।

পরপর দু'বার সোনারগাঁও বাসী তাকে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করেন, সোনারগাঁও বাসীর প্রিয় মুখ ছিলেন মোবারক হোসেন,সব সময় সবার সুখে দুঃখে পাশে থাকতেন ,রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা না করে সব সময় সবার বিপদে ছুটে যেতেন খোঁজ খবর নিতে।


১৯৯৫ সালের ১৮ই ডিসেম্বর মৃত্যুবরন করেন মোবারক হোসেন,এরপর থেকে বাবার রেখে যাওয়া অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার লক্ষ্য মোবারক হোসেন স্মৃতি সংসদ নামক একটি সংগঠন তৈরি করে দিনরাত অক্লান পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তার একমাত্র ছেলে এরফান হোসেন দীপ।

দলীয় প্রয়োজনে রাজপথে থেকে কাজ করেছেন তিনি, বিএনপি জোট সরকারের আমলে বারবার মিথ্যা মামলা দিয়েও ধমিয়ে রাখতে পারেননি এরফান হোসেন দীপ'কে


করোনাকালীন সময়ে মোবারক হোসেন স্মৃতি সংসদের কর্ণধার এরফান হোসেন দীপ উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে করোনা মোকাবেলায় বেকার হয়ে পড়া অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এবং বিতরণের জন্য উপজেলা ছাত্রলীগ, বিভিন্ন মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

 উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে করোনাকালীন সময়ে আর্থিক সংকটের কারনে কৃষকের ধান পানিতে ডুবে যাচ্ছে শুনে নিজ অর্থায়নে কৃষকের ধান কেটে বাড়িতে পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন এরফান হোসেন দীপ।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল "সোনারগাঁও সময়ে" প্রকাশিত টাকার জন্য নিজ সন্তানকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনতে পারছেন না অসহায় পিতা শিরোনামে একটি নিউজ দেখতে পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে লোক পাঠিয়ে আর্থিক সহায়তা করেন।  

এবং সনমান্দি ইউনিয়নে একজন অন্ধ হাফেজের কোরআন তেলওয়াত সোস্যাল মিডিয়া শুনে ভালো  লাগায় ঐ অন্ধ হাফেজের খোঁজ খবর নেন এবং তার জন্য খাদ্য সামগ্রী পাঠিয়ে দেন।

এছাড়াও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল ও শিশুদের খেলাধুলার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হোন তিনি

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget