Articles by "সারাদেশ"

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধিঃ 

’ভিড়ে নয়, নীড়ে থাকুন, বাসার বাইরে গেলে মাস্ক পরুন’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে যশোরের শার্শায় করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য ফ্রি অক্সিজেন সেবা ও করোনা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। 



সোমবার বেলা ১২ টার সময়  উপজেলার নাভারণ  বুরুজবাগন জেনারেল হাসপাতালের হল রুমে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশনায় এবং সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তির পক্ষ থেকে করোনা রুগীদের জন্য এই ফ্রি অক্সিজেন সিলিন্ডার সেবা প্রদান করা হয়।  


এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক হিবজুর রহমান, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মশিয়ার রহমান, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক এমদাদুল হক ইমদা, যুবদলের সদস্য সচিব পদপ্রার্থী আল মামুন বাবলু বিএনপি নেতা লিয়াকত, নেদা, ও শার্শা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক রাজু আহমেদ জিয়াউর রহমান আল-আমিন হোসেন নাভারন কলেজ ছাত্রদলের ইসরাফিল হোসেন ইসরাফিল হোসেন সাদ্দাম হোসেন পৌর ছাত্রদলের যুগ্ন আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন তুহিন,  হসেন আতিকুজ্জামান শনি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 


আয়োজকরা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে ৮টি অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ প্রয়োজনীয়  ঔষুধ প্রস্তÍত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও বাড়ানো হবে। একটি মেডিকেল টিম এই অক্সিজেন সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। করোনায় আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীরা মোবাইলে যোগাযোগ করলে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে সিলিন্ডার। ফুরিয়ে গেলে আবার নতুন করে দেওয়া হবে। এই কর্মসুচি চলমান থাকবে বলেও জানান নেতাকর্মীরা।

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের বেনাপোল বাজারের চুড়িপট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে মূহুর্তের মধ্যে ১০ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়েগেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।


শনিবার (১৭ জুলাই) ভোর ৬ টার সময় বেনাপোল বাজারে এ ঘটনাটি ঘটেছে। এসময় ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিটের দেড় ঘন্টা প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। খবর শুনে উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

প্রত্যখদর্শীরা জানান, শনিবার ভোর ৬ টার সময় বেনাপোল বাজারের চুড়িপট্টির মধ্যে একটি দোকান থেকে ধোয়া উড়তে দেখতে পায় তারা। পরে তারা ফায়ার সার্ভিসের খবর দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

বেনাপোল বাজারের চুড়িপট্টির কসমেটিকস এর দোকানদার আব্দুর রহিম জানান, ভোরে চুড়িপট্টিতে আগুন লাগার ঘটনা শুনে এসেছিলেন। এসে দেখেন তার চারটি কসমেটিকসের দোকান মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। দোকান থেকে কোনো প্রকার মালামাল সরিয়ে নিতে পারেনি তারা। তিনি আরো জানান, তার চারটি কসমেটিকসের দোকানে প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকার মালামাল ছিলো। এসময় নগদ আড়াই লক্ষ টাকা ছিলো মালামাল কেনার জন্য কিন্তু সে টাকও পুড়ে ছাই গেছে।


বেনাপোল ফায়ার স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ রতন কুমার। আগুন লাগার ঘটনা শুনে তারা দ্রুত ঘটনা স্থলে এসে প্রায় দেড় ঘন্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। কিভাবে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে সেটা তদন্ত না করে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে আগুনের সূত্র পাত বৈদ্যুতিক সট্ সার্কিটের মাধ্যমে হয়েছে। এ আগুনে ১০ টি দোকান পুড়ে গেছে। এবং চারটি দোকান একে বারে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

সোনারগাঁও টিভি,

সোনারগাঁয়ের আষাঢ়িচর এলাকার মোঃ মকবুল হোসেন এলাকার চিহ্নিত ডাকাত।

সে তার ডাকাতদল সহ দীর্ঘদিন যাবত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ  সোনারগাঁয়ের আশেপাশে থানা এলাকায় ডাকাতিসহ ছিনতাই করে থাকে। পুলিশের গ্রেফতারের ভয়ে সে দীর্ঘ দিন যাবৎ পলাতক ছিল, মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়।


টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার দীঘা কাতলী গ্রামের মোঃ শামীম মিয়া, পিতা- সোনা মিয়ার ছোট ভাই মোঃ জাহিদ  বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে চাকুরী পায়। জাহিদের  ১২/০১/২০১৮ তারিখ খাগড়াছড়ি সেনানিবাসে যোগদানের তারিখ ছিল।  টাঙ্গাইল জেলা হইতে সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে  নিযোগপ্রাপ্ত আরো ০৬ জন সহ  শামীম, শাহীন, জাহিদ তিন ভাই একটি মাইক্রোবাস নিয়ে টাংগাইল হইতে খাগড়াছড়ি উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।  ইং ১১/০১/২০২১ তারিখ রাত্রী ২৩.৩০ ঘটিকায় সোনারগাঁ থানাধীণ ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের পিরোজপুর ইউনিয়নের চর চেংগাকান্দি নামক স্থানে এইচ,কে,জি ষ্ট্রীল মিলের সামনের রাস্তায় পৌঁছালে প্রচন্ড যানযট সৃষ্টি হয় । তাহাদের গাড়ী যানজটে আটকা পড়ে যায়। যানজটে আটকা পড়া তাদের মাইক্রোবাসটি  ডাকাতদল দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া ডাকাতির উদ্দেশ্যে আক্রমন করে। এসময়  ভিকটিম মোঃ শাহিন মিয়া  বাঁধা দিলে ডাকাতদল তাহাকে ধারালো ছুরি দ্বারা এলোপাথাড়ি ভাবে  কুপাইয়া  গুরুতর জখম করে। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মাইক্রোবাসে থাকা অন্যান্যরা শাহীনকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাহাকে মৃত ঘোষনা করেন। 

 মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামী ১। মকবুল হোসেন (২৭), পিতা- ফজর আলী , গ্রাম- আষারিয়ার চড়, উপজেলা/থানা- সোনারগাঁও, জেলা -নারায়ণগঞ্জ সহ অন্যান্য  ডাকাতদের বিরুদ্ধে অভিযোগে সত্যতা পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

     

           অদ্য ইং ১৪/০৭/২০২১ তারিখ এএসআই (নিঃ)/ মোঃ এজাজুল হক সঙ্গীয় ফোর্স সহ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডাকাত সর্দার  মোঃ মকবুল হোসেনকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সহায়তায় নিউটাউন এলাকা হইতে আটক করেন। 

    তাহার বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানা ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি সহ একাধিক মামলা রয়েছে।  আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি

 যশোরের শার্শায় বড় ভাইয়ের হাতে ছোট খুনের তিন দিন পরে কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করেছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেড ও উপজেলা প্রশাসন।



বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মঙ্গলবার বেলা ১২টার সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। 


গত শুক্রবার (১০ জুলাই) আনুমানিক রাত ১১টার দিকে শার্শা উপজেলার জিরানগাছা গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই জসিম উদ্দিনকে শ্বাসরোধ করে হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত  জসিম উদ্দিন  জিরানগাছা গ্রামের মৃত কাশেম আলির ছোট ছেলে।  


এঘটনায় থানায় নিহতের বোন সুমি খাতুন বাদী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে প্রাথমিক জিজ্ঞেসাবাদের জন্য শনিবার বিকালে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।


পরে দুইজনকে ছেড়ে দিয়ে ঘটনার মূলহোতা বড় ভাই আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়। সেখানে  হত্যার বিষয়ে স্বীকারোক্তি মুলক জবানবন্দি দিলে বিজ্ঞ আদালত ছোট ভাই জসিম উদ্দিনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের জন্য আদেশ দেন।


এসময় উপস্থিত ছিলেন নাভারণ সার্কেল এএসপি জুয়েল ইমরান,  জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেড মাহমুদুল হাসান, পিবিআই কর্মকর্তা মিজানুর রহমান সহ বিভিন্ন  প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শার নিজামপুরে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।  কোভিড-১৯  চলমান লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া ১৩৯৫ টি পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার  বিতরণ করা হয়েছে।



(১৩ জুলাই মঙ্গলবার) সকাল ১০ টার সময় শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদ  চত্বরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ১৩৯৫ টি পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয় ।


বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন,নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব আবুল কালাম আজাদ,নিজামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব আব্দুল ওহাব,সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, ,যুবলীগের সভাপতি আলাউদ্দীন খাঁন,  নিজামপুর ইউনিয়নের ট্যাগ অফিসার জনাব, নাসিম উদ্দীন,ইউপি সচিব সুফল কুমার সাহা, এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, গ্রাম্যপুলিশ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।


প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসাবে ত্রাণ সামগ্রী পেয়ে সুবিধাভোগীরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

 জানা গেছে  প্রতিটি ইউনিয়নে  হতদরিদ্র মানুষদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ  উপহার বিতরণ করা হবে 


নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন: আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন। কারণ তিনি বেঁচে থাকলেই বাংলাদেশের উন্নয়নের চাকা অব্যাহত থাকবে এদেশের মানুষ ভালো থাকবে। তিনি বলেন, যেখানে করোনা মোকাবিলায় সারা বিশ্ব টালমাটাল তখন শেখ হাসিনার বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত আমরা ভালো আছি।

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি 

করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে চলমান লড়ায়ে সকলের উপস্থিতি অপরিহার্য।  করোনা সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতির অগ্রগতিতে চিকিৎসক, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক- সাংস্কৃতিক এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করলে সংক্রমিত হওয়ার আগে প্রতিরোধের ভিত্তি তৈরি হবে।

 সামাজিক দূরত্ব রক্ষা ও মাস্ক ব্যবহারসহ স্বাস্থ্যবিধি মানতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা অপরিসীম।


শনিবার  (১০জুলাই) সকালে নিজামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কতৃক আয়োজিত করোনা সচেতনতা  মূলক মিটিংয়ে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য সরকারি কার্যক্রম সুসমন্বয়ের লক্ষ্যে নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে  পরিবার পরিকল্পনার(FPI ) আবুল খায়ের, নিজামপুর ইউনিয়ন করোনার সার্বিক বিষয়ে আলোকপাত করেন।  


তিনি আরও বলেন করোনার প্রভাব প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে, সেহতু সকলকে সচেতনতার সাথে চলাচল করা অপরিহার্য। 


এসময় নিজামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব আব্দুল ওহাব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন তরফদার, সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার নিতু,পরিবার পরিকল্পনার, মহসিন আলী(HA),মোছাঃ রিপা খাতুন(CHAP),  উপজেলা কৃষি অফিসার অসিত কুমার মন্ডল,ও সাদ্দাম হোসেন, ইউপি সচিব,সুফল কুমার সাহা,নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, নূরুল ইসলাম, মিলন হোসেন, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ শরিফুল ইসলাম মন্টু, নজরুল ইসলাম সেকু, আমিনুর রহমান, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য, মোছাঃ রুমা আক্তার, সারজিনা আক্তার আল্লাদী,   ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব আহমেদ, ছাত্রলীগ নেতা আসাদুজ্জামান আরমান, যুবলীগ নেতা আলমগীর হোসেন পিন্টু ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সোনারগাঁও টিভি, 

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত,  হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সবশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কমপক্ষে ৫০ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের একটি সূত্র।


শুক্রবার দুপুর দেড়টার পরে ফায়ার সার্ভিসের ওই সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত ৩৩টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে ৫০ হতে পারে। ভবনের ৪তলায় অনেকগুলো লাশ পড়ে আছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। কিন্তু ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিটের চেষ্টায় ১৬ ঘণ্টা পরও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।

শ্রমিক নিহত এবং আগুন নেভাতে দেরির ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানার আনসার ক্যাম্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। তারা সংরক্ষণাগার থেকে তিনটি শটগান লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেছে আনসার কর্তৃপক্ষ।


সোনারগাঁও টিভি,


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ যশোরের শার্শার ডিহি ইউনিয়নের কয়েকটি স্পটে অবাধে চলছে জমজমাট তিন কার্ড জুয়ার আসর। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা একটি মহল ও এক জনপ্রতিনিধির নেতৃত্বে অনৈতিকতার তিন কার্ডের জুয়া বোর্ড পরিচালনা করছে এলাকার তিনটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। এখানে শার্শা উপজেলা ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলার জুয়াড়ীরা খেলায় দিন-রাত বুদ হওয়ায় প্রতিদিন হাত বদল হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। জুয়ার আসরে খেলার পাশাপাশি আশেপাশের বিভিন্ন স্পটে চলছে নেশার রমরমা কারবার। গোড়পাড়া পুলিশ ক্যাম্প থেকে ৩ কিলোমিটারের মধ্যে দীর্ঘ দিন থেকে দিন-রাত রমরমা জুয়া ও মাদকের আসর চললেও এটা বন্ধে কোন ভূমিকা লক্ষ্য করা যায় না। তবে অভিযোগ রয়েছে, উপরিমহলকে ম্যানেজ করেই চলছে এ অনৈতিক কর্মকান্ড। 



স্থানীয় সূত্র জানায়, বিগত কয়েক বছর ধরে ডিহি ইউনিয়নের দুর্গাপুর মাঠের পরিত্যক্ত বাড়ী ও গোকর্নের মাঠের শিশু বাগান,শাড়াতলা মাছ  বাজারের দোতলায় ও রাজনগর মাঠের মেহগনি বাগানে,অবদাহ বাজারে তিন তাস নামে চলে আসছে অবাধ জুয়া আসর। এলাকার উঠতি যুবক, আলোচিত জুয়াড়িরা এখানে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দুর-দূরান্ত থেকে আসা জুয়াড়ীরা এখানে লক্ষ লক্ষ টাকার হাত বদল করছে এবং প্রতিদিন এ চক্রের ফাঁদে পড়ে অনেকেই টাকা খুইয়ে হচ্ছেন নিঃস্ব। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা একটি সংঘবদ্ধ চক্র সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চালাচ্ছে নিষিদ্ধ জুয়ার আসর। এ জুয়াকে কেন্দ্র করে স্পটে নেশা গ্রহণ সমান তালে চলায় জুয়া ও মাদকের মোহে পড়ে অনেকে বসছেন পথে। 

চলমান জুয়া ও মাদকের আসর নিয়ে এ অঞ্চলের অভিভাবক ও তাদের পরিবার উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছেন। 



ডিহি ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুর রহিম খালাসির ছেলে মহিনুর রহমান, অবদাহ গ্রামের  বাবুল, লক্ষণপুর ইউনিয়নের কেষ্টপুর গ্রামের জুয়াড়ী আলী ও ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক পিন্টুর  ইন্ধনে মৃত আমানত আলীর ছেলে চান্দু মিয়া  এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। 


দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভিআইপি জুয়াড়ীরা তিন তাস জুয়ার বোর্ডে মোটা অংকের টাকা হাত বদল করছে। সেই সাথে মাদক সেবন করে নেশায় বুদ হচ্ছে। এখানেও রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা ও অন্য ধারার একটি সংঘবদ্ধ চক্র দিন-রাত সমান তালে নিষিদ্ধ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। 



ওই তিনটি জুয়াড়ী চক্র স্থানীয় কিছু রাজনৈতিক নেতা ও এক জনপ্রতিনিধি পুলিশ প্রশাসনের সাথে সখ্যতা রেখে চলেছেন বলে অভিযোগ আছে। যার কারণে ওই চক্রটি অনেকটা বেপরোয়া হয়েই এ অনৈতিক কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাসের মহামারির মধ্যেও কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে স্পট গুলোকে ঘিরে বসছে ছোট-খাটো বাজার, বিতর্কিত পরিচিত মুখ আর অপরিচিত অনেক লোকজনের আনাগোনা দেখা যায় সেখানে। মোটর সাইকেল, ইজিবাইক সহ বিভিন্ন বাহনে চেপে আসে তারা। নেশায় বুদ হয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এই আসরে। কয়েকটি মহলকে ম্যানেজ করে অসাধু চক্রটি দীর্ঘদিন জুয়ার কারবার চালিয়ে যাওয়ায় এলাকার সাধারণ ব্যবসায়ী ও উঠতি বয়সের যুবকদের মধ্যে নানা প্রতিকুল প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ খোয়াচ্ছে, কেউ সামান্য লাভবান হচ্ছে। নেশায় বুদ থাকায় খোয়ানো পার্টি আঁচ করতে পারছে না। তবে বেশির ভাগ জুয়া খেলতে এসে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ফিরছে। বিভিন্ন সময়ে জুয়া আসর চালানোর কারণে অনেক পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে এমন তথ্যও মিলছে। 


এলাকা থেকে অভিযোগ উঠেছে জুয়া আসরকে ঘিরে বিভিন্ন মাদকের সহজ প্রাপ্যতা হওয়ায় দিন দিন এলাকার উঠতি যুবক ও ছাত্র সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। কোন অবস্থাতেই তাদের সন্তানদের এই মরন নেশার থেকে দূরে রাখতে পারছে না, অনেক সময় অধিকাংশ পরিবার গুলোতে বিরাজ করছে অশান্তি। পরিবার থেকে অর্থ না পাওয়ায় জুয়া বোর্ডের দিকে ঝুঁকছে আর জুয়াড়ীদের নির্বিঘ্নে খেলায় সহযোগীতা করতে বোর্ড পরিচালনা কারী চক্র এদেরকে ব্যবহার করছে। বিভিন্ন খাবার, মাদক সরবরাহ, জুয়াড়ীদের নির্দিষ্ট আসরে পৌঁচ্ছে দেওয়া, মোটর সাইকেল হেফাজতে রাখাসহ মোড়ের চায়ের দোকন গুলোতে পাহারাদার হিসাবে দিন-রাত বসিয়ে রাখা হচ্ছে। যুবকদের দিন শেষে হাতে কিছু টাকা ধরিয়ে দিচ্ছে। আর এই টাকা দিয়েই অনেকে নেশা করছে। মাঝে মাঝে এলাকায় কিছু ছোট-বড় চুরির ঘটনাও ঘটছে বর্তমানে জুয়া আসরের সাথে মাদকের ভয়াবহতাও বৃদ্ধি পাওয়ায়। জুয়া ও মাদকের আসরকে ঘিরে এলাকার অভিভাবক তাদের সন্তান ও পরিবেশ নিয়ে বেশ চিন্তিত। সব কিছু জানা স্বত্বেও অহেতুক বিপদে পড়ার ঝামেলা এড়াতে নিরবতা পালন করে চলেছে তারা।


এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জুয়া সম্রাট বাবুল জানান,আগে খেলা চালাতাম। তিনদিন হলো সেটা বন্ধ করে দিয়েছি।



সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় করোনা আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসার জন্য অক্সিজেন কনসেনটেটর যন্ত্র প্রদান করেছেন ৮৫-যশোর-১ এর সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দীন। 



করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতায় আক্রান্ত রোগীদের অক্সিজেনের ঘাটতি মেটাতে একান্ত নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে তিনি এই অক্সিজেন কনসেনটেটর প্রদান করেন।


মঙ্গলবার সকালে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স  সভাকক্ষে সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিনের পক্ষ থেকে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ইউপি সদস্যদের হাতে এই অক্সিজেন কনসেনটেটর যন্ত্র তুলে দেওয়া হয়। 


উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলী জানান অক্সিজেন কনসেনটেটর প্রতি মিনিটে ৫ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারবে এবং কনসেনটেটর নিজেই প্রকৃতি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে সক্ষম। 

 উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামিলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সিরাজুল হক মঞ্জু। 


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা, শার্শা থানা অফিসার ইনচার্জ বদরুল আলম খান, জেলা পরিষদ সদস্য ও নাভারণ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খলীল সহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।

সোনারগাঁও টিভি:

নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়া পাড়া গ্রামে সামন্য বৃষ্টিতে জলাবন্ধতা সৃষ্টি হয়ে দুই শতাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

ফলে তাদের স্বাভাবিক কাজ কর্ম করতে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। গত দুদিনে টানা বৃষ্টির ফলে ওই এলাকার মানুষের ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। একটি কোম্পানির অপরিকল্পিত বালু ভরাটকে কেন্দ্র করে এ জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এক দিকে লগডাউন অন্যদিকে জলাবন্ধতার কারনে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ মনে করছেন এলাকাবাসী। খবর পেয়ে আজ (৪ জুলাই() সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আতিকুল ইসলাম ওই এলাকা পরিদর্শন করেছেন।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের পাশে পশু খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘মার্স ফিড’ নামের একটি কোম্পানি গড়ে উঠে। এ কোম্পানি গড়ে উঠার পর থেকে এ এলাকার মানুষ বিভিন্ন সমস্যার মধ্যেই বসবাস করে আসছে। দীর্ঘদিন ধরে এ কোম্পানির পশু খাদ্য তৈরির কাঁচামালের দূর্গন্ধে এ এলাকায় বসবাস করা দায় হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও এ কোম্পানি অপরিকল্পিতভাবে বালু ভরাট করার ফলে এ এলাকার পানি নিষ্কাষনের কোন ব্যবস্থা নেই।

গত দুদিনের টানা অতি বৃষ্টির কারনে পানি জমে বাড়িঘর তলিয়ে গিয়ে এ এলাকার প্রায় ২ শতাধিক মানুষের ঘরে পানি ঢুকে যায়। ফলে পানি বন্দি হয়ে পড়ে মানুষ। সরেজমিনের গিয়ে দেখা যায়, সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে পানি জমে আছে। অনেক ঘরে পানি ঢুকে তাদের আসবাবপত্র, কাপড় চোপর নষ্ট হয়ে আছে। এমনকি রান্নাঘর ও বসবাসের ঘরেও হাটু সমান পানি উঠে গেছে। ওই এলাকার বাসিন্দরাও ঘরে উঠা নষ্ট পানিতে থালা বাটি ধৌত করছেন। ওই এলাকার মানুষ ভোগান্তিতে রয়েছেন।

সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের গৃহবধু অনিতা রানী সরকার বলেন, কোম্পানির বালু ভরাট করায় এ অঞ্চলের বৃষ্টির পানি নদীতে নামতে না পারায় পানি জমে জলাবন্ধতা সৃষ্টি হয়ে এ পানি ঘরে ঢুকে পড়েছে। ফলে আমাদের ঘরের আসবাবপত্রসহ প্রয়োজনীয় মালপত্র পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা রেখে বালু ভরাট করলে এ সমস্যার সৃষ্টি হতো না।

বৈদ্যেরবাজার গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, এ কোম্পানি হওয়ার আগে আমাদের জলাবন্ধতার কোন সমস্যা ছিল না। বৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পানি মেঘনা নদীতে নেমে যেতো। বর্তমানে বালু ভরাট করায় আমাদের জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমাদের রান্না বান্না, বাথরুমসহ বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। সাতভাইয়া পাড়া গ্রামের সবুজ মিয়া বলেন, গত দুদিনের বৃষ্টিতে ঘরে পানি উঠে আমাদের খাবার দাবার, রান্না বান্না করা যাচ্ছে না। আমাদের না খেয়ে শিশুরা অনেক কষ্ট করছে। .

পশু খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান মার্স ফিডের জেনারেল ম্যানেজার ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম বলেন, আমাদের জায়গা ভরাট করলে যদি জলাবন্ধতার সৃষ্টি হয়ে আমাদের কিছু করার থাকে না।

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি ওই এলাকা পরিদর্শন করেছি। মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। একটি কোম্পানির অপরিকল্পিত বালু ভরাটের কারনে এমন সমস্যা হয়েছে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে ওই কোম্পানিকে জলাবন্ধতা নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোনারগাঁও টিভি,


ইকরামুল ইসলাম  (যশোর) প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসনা শারমীন মিথি করোনা মহামারীতে মাঠ পর্যায়ে নিরলস ভাবে সেবা দিয়ে চলেছেন। করোনার সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারত ফেরত বাংলাদেশি পাসপোর্টযাত্রীদের সেবা দিয়ে আসছেন তিনি। কিন্তু নিজের কথা একবারও চিন্তা করে দেখেন নাই তিনি। দিনরাত ভারত থেকে আশা যাত্রীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন।


করোনা মহামারীতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন। উদ্দেশ্য হচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত হতে আগত বাংলাদেশিদের দুই সপ্তাহের জন্য বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা।

কোভিডি-১৯ মহামারির সাম্প্রতিক ঢেউ ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর বিরাট আঘাত হেনেছে এবং ভারতীয় ভেরিয়েন্ট হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ট্রিপল মিউটেন্ট করোনা ভেরিয়েন্টের সংক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য ভারতের সঙ্গে যাত্রী চলাচলে সাধারণ নিষধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

তবে বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে যাদের ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে তারা কলকাতাস্থ বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশন থেকে এনওসি সংগ্রহ করে দেশে আসতে পারবেন তবে দেশে যাবার পরে আবশ্যিক ভাবে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে নিজ খরচে স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে থাকতে হবে। অত্যন্ত চটপটে প্রশাসনের নারী কর্মকর্তা রাসনা শারমীন মিথি এ কাজটি করে যাচ্ছেন। তিনি হয়ত একদিন শার্শা হতে বিদায় নেবেন কিন্তু শার্শার মানুষ তাকে কখনো ভূলতে পারবে না।

উপজেলার এক প্রান্ত থেকে ওপর প্রান্ত পর্যন্ত সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত করোনা মহারীকে থেকে মানুষকে সচেতন করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। নিজে ভয়ঙ্কর মহামারী করোনা ভাইরাসকে ভয় না পেয়ে সাধারন জনগনকে বাঁচাতে মাঠপর্যায়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। প্রশাসনের একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হিসাবে তার এ কর্মকান্ড প্রশংসার দাবী রাখে।

 শার্শা-বেনাপোলে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে প্রস্তুত প্রশাসন

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের  শার্শা ও বেনাপোল কঠোর ভাবে সর্বাত্বক লকডাউন পালিত হচ্ছে। রাস্তায় দু একজন পথচারী ছাড়া কাউকে আসতে দেয়া হচ্ছে না। নতুর করে ৭দিনের কড়াকড়ি লকডাউনের প্রথম দিন পুলিশের পাশাপাশি সেনা বাহিনী ও বিজিবি সদস্যদের টহল দিতে দেখা গেছে। বন্ধ রয়েছে দোকান-পাট ও শপিংমল। চলছে না কোন ভ্যান, রিকসা, ইজিবাইক বা অন্য কোন মোটর যান। তবে সরকারের রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে বন্দরে আমদানী-রফতানী বাণিজ্য সচলসহ লোড-আনলোড প্রক্রিয়া স্বাভাবিক আছে।


কাঁচা বাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদী সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবে। খাবারের দোকান, হোটেল রেস্তোরা সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ পর্যন্ত পার্সেলে বেচাকেনা করতে পারবে। সকল প্রকার গনজমায়েত, সভা সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঔষুধের দোকান, আইন শৃখংলা বাহিনী ও তাদের বহনকারী গাড়ী, সংবাদকর্মিদের গাড়ী লক ডাউনের আওতামুক্ত থাকবে। সাধারন মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাঠে কাজ করছেন উপজেলা প্রশাসনসহ সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান, পুলিশ প্রশাসন বেনাপোল পৌরসভা ও শার্শা উপজেলার প্রবেশ মুখে সকল সংযোগ সড়কে বাঁশের ব্যারিকেট দিয়ে সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে। সড়ক-মহাসড়কের ১২ পয়েন্টে বসানে হয়েছে পুলিশের নিয়ন্ত্রিত চেকপোষ্ট। #

 সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম বেনাপোল প্রতিনিধি

যশোরের শার্শায় অভিযান চালিয়ে ১কেজি গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেল সহ মোঃ  মনিরুল ইসলাম(২৫) কে নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। 


শুক্রবার  (২৫জুন)দুপুর ২টার সময় অভিযান চালিয়ে মোঃ মনিরুল ইসলামকে  আটক করে গোড়পাড়া ফাঁড়ির পুলিশ।


আটক মনিরুল ইসলাম যশোরের কোতয়ালী থানার বৌলপুর গ্রামের আব্দুল হক খোকনের ছেলে। 


পুলিশ জানায়,গোপন খবর আসে এক জন মাদক ব্যবসায়ী  মাদকের  একটি চালান নিয়ে শার্শার লক্ষ্মণপুর  ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে অবস্থান করছে ।এমন খবর পেয়ে গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইজাজ রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে  সেখানে অভিযান চালিয়ে একটি মোটরসাইকেল সহ একজনকে আটক করে পরে মোটরসাইকেলে তল্লাশি করে  ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার   করে। 


শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ বদরুল আলম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,আটক আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

সোনারগাঁও টিভি,

সাম্প্রতিক সময়ে সারা দেশে করোনা মহামারী, কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে আগামী সোমবার (২৮ জুন) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সারাদেশে কঠোর লকডাউন পালন করা হবে।



এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত আদেশ আগামীকাল শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা হবে।

স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার শুক্রবার (২৫ জুন) রাতে এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানান।


এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে।

জরুরি পণ্যবাহী ব্যতীত সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে যানবাহন শুধু চলাচল করতে পারবে। জরুরি কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে কেউ বের হতে পারবেন না। গণমাধ্যম এর আওতা বহির্ভূত থাকবে।



 সোনারগাঁও টিভি,

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পৃথিবীর বিখ্যাত হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালার গল্প কে না জানে? তার বাঁশির সুরে গর্ত থেকে বের হয়ে এসেছিল শহরের সব ইঁদুর। প্রায় ৭০০ বছরের বেশি আগে জার্মানির ছোট্ট শহর হ্যামিলিনে ঘটেছিল বিখ্যাত এ ঘটনাটি। গল্পটি লিখেছেন ইয়াকপ গিম ও ভিলহেল্ম গিম ভ্রাতৃদ্বয়। যারা জার্মান পৌরাণিক কাহিনি ও লোককাহিনি সংগহ ও প্রকাশ করতেন। যদিও অনেকের মতে, জার্মানির উত্তর-পূর্বে স্লাভ-অধ্যুষিত অধিবাসীদের ভয়ংকর প্লেগ রোগের কারণে দেশান্তরি হওয়ার বিষয়টিকে বাঁশিওয়ালার প্রতীকী রূপ হিসেবে মনে করা হয়, তবু ঘটনাটি বিশ্ব ইতিহাসে কিংবদন্তি হয়ে আছে।


কিন্তু যশোরের অজপাড়াগাঁয়ে বাঁশির সুরে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি উড়ে এসে বাঁশিওয়ালার গায়ে বসার দৃশ্যটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই কারও। মৌমাছির ভিড়ে একসময় দেখা যায় না তার শরীর। এমন অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখতে উৎসুক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন মাহাতাব মোড়লের বাড়িতে। তার এমন দৃশ্য রীতিমতো অবাক করেছে স্থানীয়দের। নাম মাহাতাব মোড়ল হলেও সবাই চেনে ‘মৌমাছি মাহাতাব’ নামে। যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর গামে তার বাড়ি।

তার বাবার নাম মৃত কালাচাঁদ মোড়ল। ছোটবেলা থেকেই মৌচাক থেকে মধু আহরণ করতে শুরু করেন মাহাতাব। ওই সময় বালতিতে শব্দ করে চাক থেকে মৌমাছি দূরে সরিয়ে দেওয়ার কৌশলও রপ্ত করেন তিনি। এরপর টিনের থালায় শব্দ শুনে মৌমাছি চাক ছেড়ে তার কাছে আসতে শুরু করে। কাছে আসার এমন দৃশ্য থেকে মধু সংগহকারী এ পতঙ্গের প্রতি তার ভালোবাসা জন্মায়। সুন্দরবনসহ সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোর অঞ্চলে মৌচাক থেকে মধু সংগহ করেন তিনি।

আর এই মধু সংগহ করেই তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার চলে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাহাতাব ছোটবেলা থেকে মধু সংগহ করেন। তবে কীভাবে মৌমাছিকে পোষ মানালেন, সেটা সত্যিই অবাক করার বিষয়। মৌমাছির হুল বসানোর ভয়ে মানুষ ভয়ে পালায়। সেখানে তার বাঁশির সুরে শুনে উড়ে চলে আসে মৌমাছি। বিষয়টি অবাক করার মতো।

মাহাতাব মোড়ল জানান, তার বাড়ি ছিল সুন্দরবন-সংলগ্ন কয়রা উপজেলায়। সুন্দরবনসহ সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোর অঞ্চলে তিনি ছোটবেলা থেকে বাবার সঙ্গে মৌচাক থেকে মধু সংগহ করেন। মধুর মৌচাক থেকে মধু সংগহ করতে গিয়ে মৌমাছির প্রতি তার ভালোবাসা জন্মায়। বাড়ির পাশেই একটি মৌমাছির মৌচাক রয়েছে। বাঁশি বাজালে সুর শুনে হাজারো মৌমাছি এসে বসে।

মৌমাছি বসতে বসতে শরীর তার মৌচাকের আকার ধারণ করে। কৌশলগত ওই সুর শুনে এখন হাজারও মৌমাছি তার শরীরে জড়ো হয়। বাঁশি বাজানো বন্ধ করলে মৌমাছি চলে যায়। মৌমাছি শরীরে কামড় দেয় কি না, জানতে চাইলে মাহাতাব বলেন, এর জন্য শরীরকে আগে থেকেই প্রস্তুত করতে হয়। তাদের আঘাত না করলে একটি মৌমাছিও শরীরে হুল বসায় না।

মাহাতাবের মতে, মৌমাছি হিংস্রতা দেখালেও তার কাছে মৌমাছির হিংস্র আচরণ কখনোই চোখে পড়েনি। ভালোবাসায় সব হিংস্রতা জয় করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তিনি জানান, এক বছর ধরে মৌমাছির সঙ্গে কৌশলগত সখ্য থাকলেও মৌমাছির সঙ্গে গভীর প্রেম সেই ছোটবেলা থেকেই। এটি কেবল মৌমাছির প্রতি ভালোবাসা থেকেই করা সম্ভব হয়েছে।

এতে কোনো অসৎ উপায় ও তন্ত্র-মন্ত্র নেই। বাড়িতে বাঁশি বাজিয়ে পাঁচ মিনিটেই তিনি শরীরে হাজারো মৌমাছি জড়ো করতে পারেন। কাজটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় কোনো ভয় লাগে না বলে জানান তিনি। পোকের (মৌমাছি) সঙ্গে বন্ধুত্ব করার দৃঢ় ইচ্ছা থেকেই মাহাতাব মৌমাছিকে কাছে আনতে সক্ষম হয়েছেন। আর প্রথম দিকে খারাপ লাগলেও বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এ কাজ দেখতে আসায় এখন খুশি মাহাতাবের স্ত্রী ফুলজান বেগম। প্রথমে তার এই কাজ আমি পাগলামি মনে করে অনেক বকাঝকা করতাম। নিজের মধ্যে খুব ভয় করত। জানি না কখন কী হয়ে যায়।

মৌমাছিরা কামড় দিলে তো মারাও যেতে পারে, এই ভয়ে। তিনি এখন অসম্ভব জিনিস সম্ভব করেছে। লোকজন এখন তার এই দৃশ্য দেখতে বাড়িতে ভিড় করে সকাল-সন্ধ্যা। আমার খুব ভালো লাগছে। ফুলজান বেগম পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন থেকে মাহাতাবের এই দৃশ্য দেখতে আসা তোফাজ্জেল হোসেন মানিক বলেন, আমি শুনেছি মাহতাব নাকি বাঁশি বাজিয়ে মৌমাছি নিয়ে আসেন। তাই দেখতে এসেছি। এত দিন শুনেছি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার গল্প, আজ নিজ চোখে দেখলাম মৌমাছির বাঁশিওয়ালা।

এখন দেখার পরে বিশ্বাস করছি এই বাঁশিওয়ালার গল্প। এখানে এসে বুঝলাম মানুষ চাইলে অনেক কিছু করতে পারে। প্রতিবেশী সালাম হোসেন জানান, মাহাতাব দীর্ঘদিন ধরে মধু সংগহ করে আসছেন। মধু সংগহের ফলে মৌমাছি সম্পর্কে তার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে এই মৌমাছির সঙ্গে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করতে পেরেছেন তিনি। বাঁশি বাজিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি উড়িয়ে তার শরীরে নিয়ে আসেন। সরাসরি এই দৃশ্য না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবে না কেউ। স্থানীয় স্কুলশিক্ষক মোশাররফ হোসেন জানান, মাহাতাব যখন বাঁশির সুর তোলে, তখন সারা শরীরে মৌমাছি উড়ে এসে মাহাতাবের শরীরে জড়ো হয়।

দৃশ্যটি দেখে হতবাক হয়েছি। তবে মাহাতাবের এই কাজের মধ্যে কোনো কৌশল বা লুকোচুরি আছে কি না, বলতে পারব না। কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রভাষক জুলমত আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাহাতাব মধু সংগহ করে বেড়ান। কৌশল আয়ত্ত করে তিনি বাঁশির সুরে মৌমাছি তার শরীরে আনেন শুনেছি। বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ তার বাড়িতে আসছে এ দৃশ্য দেখতে। তবে আমি কখনো সরাসরি দেখিনি।

যশোর সরকারি মহিলা কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নার্গিস শিরীন বলেন, মৌমাছিদের মধ্যে নিজস্ব ভাষা আছে। তারা ওই ভাষাতেই একে ওপরের সঙ্গে কথা বলে। তবে বাঁশির সুরে মৌমাছি আকৃষ্ট হয়, এটা আমার জানা নেই। আমি বইপুস্তকেও এটা পাইনি। বাঁশির সুরে মৌমাছি আকৃষ্ট হয়ে মানুষের গায়ে উড়ে এসে বসে, এটার সুযোগ নেই। তবে মৌমাছিরা তো মধুর ওপর আকৃষ্ট হয়, তাই কেউ যদি তার শরীরে মধু, হরমোনযুক্ত সুগন্ধি স্প্রে করে, তখন উড়ে এসে মৌমাছিরা বসতে পারে বলে জানান তিনি।

সোনারগাঁও টিভি,

 বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে এই দল। আওয়ামী লীগের হাত ধরেই রচিত হয়েছে পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে, টানা ৭২ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রাম, সৃষ্টি, অর্জন ও উন্নয়নের ইতিহাস। ২০২১ সালের ২৩ জুন, 


দলটির ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষির্কী ও ৭৩তম জন্মদিন। এই দীর্ঘ সময়ে নানা উত্থান-পতন, সংঘাত ও সম্মিলনের মধ্য দিয়ে দলটি বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই দল প্রতিষ্ঠার সময় তরুণ শেখ মুজিবুর রহমান যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পান। প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা হিসেবে, শুরু থেকেই দেশজুড়ে নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হন তিনি, রাজনৈতিক দূরদর্শিতার বলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র কাণ্ডারী হয়ে ওঠেন দ্রুততম সময়ে। পরবর্তীতে দলের সাধারণ সম্পাদক অসুস্থ হয়ে গেলে বঙ্গবন্ধুই ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন শুরু করেন। সেই ভার থেকে আর কখনোই মুক্ত হতে পারেননি। আমৃত্যু দেশসেবার কাজে ব্রত ছিলেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশে যেমন বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের হাতে তৈরি, তেমনি আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অদম্য নেতৃত্বের কারণেই আমরা পেয়েছি।

বঙ্গবন্ধু যে দলের ভিত্তি দিয়েছেন, সেই দলকে এখনো বহন করে চলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। একাধিকবার ঘাতকের বুলেট-বোমার সামনে নিজের জীবনকে বিপন্ন করতে হয়েছে, তবুও দলের রক্ষাকবচ হয়ে থেকেছেন তিনি। একারণেই বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি আবেগের নাম। এই দলের সব সদস্য মিলে একটি পরিবার। এ পরিবারই বাংলাদেশের বৃহত্তর পরিবার। দলটির প্রতিষ্ঠাতা নেতা-কর্মীদের মধ্যে আজ অনেকেই জীবিত নেই। কিন্তু আওয়ামী লীগ আছে এবং শুধু তাই নয়, এখনো দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ৫০ বছরের বাংলাদেশের সাড়ে ২৩ বছর দেশশাসন করার সুযোগ পেয়েছে দলটি। এই সাড়ে ২৩ বছর আওয়ামী আমলের মধ্যে, ২০ বছরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের জন্মকথা

১৯৪৭ সালে দেশভাগ হয়। এরপরেই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত হনে পাকিস্তানিরা। কিন্তু তাদের অপচেষ্টা রুখে দিতে শুরু থেকেই মাঠে নামেন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। দেশভাগের আগে, প্রভাবশালী ছাত্রনেতা হিসেবে পুরো ভারতবর্ষ চষে বেড়িয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ঢাকায় ছাত্রলীগ নামের একটি ছাত্র সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এরপরের বছরেই গঠিত হয় আওয়ামী লীগ। ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে সেসময় তাকে জেলে বন্দি করে রেখেছিল পাকিস্তানি জান্তারা। আওয়ামী লীগ গঠনের ব্যাপারে দলের সিনিয়র নেতারা তার মতামত নেওয়ার জন্য জেলেও বার্তাবাহক পাঠান। তিনি নিজে সরাসরি ছাত্র সংগঠন না করে, মূল দরে থাকার ব্যাপারে মত দেন। এরপর ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন বিকালে ঢাকার কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে গঠিত হয় নতুন একটি রাজনৈতিক দল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি এবং শামসুল হককে করা হয় সাধারণ সম্পাদক। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান। পরবর্তীতে এই দলের নাম পরিবর্তন হয়ে হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

১৯৫৩ সালের ৯ জুলাই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে শেখ মুজিবুর রহমান দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তৎকালীন পূর্ব বাংলার সমস্ত জেলায় দলের কমিটি গঠন করায় তৎপর হন এবং ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগকে জনগণের কাছে জনপ্রিয় করে তোলেন।

কিন্তু ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পরও বঙ্গবন্ধুকে কারাগারে যেতে হয়। সে সময়ে, ৩০ মে ১৯৫৪ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ১৯৫৪ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ২০৬ দিন কারাভোগ করেন। ১৯৫৫ সালের ২১ অক্টোবর, আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ মুজিব দলের নাম থেকে ‘মুসলিম' শব্দটি প্রত্যাহারের প্রস্তাব পেশ করলে, আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। কাউন্সিল অধিবেশনে তিনি পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৫৭ সালের ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় কাগমারিতে এবং একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল সাংস্কৃতিক সম্মেলন। একই বছর ৩০ মে দলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, একই ব্যক্তি একসঙ্গে সরকার ও সংগঠনের দুটো পদে থাকতে পারবেন না। শেখ মুজিব দলকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক আইন জারির পর, বঙ্গবন্ধু ১১ অক্টোবর গ্রেফতার হন। এ সময়ে টানা ১ হাজার ১৫৩ দিন তাকে কারাগারে কাটাতে হয়, ৮ ডিসেম্বর ১৯৬১ পর্যন্ত। সামরিক জান্তাদের কারণে দেশে মূলত রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়ে পড়ে। ১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করেন বঙ্গবন্ধু। ওই সভায় দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটের মাধ্যমে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবি এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় সম্বলিত প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভায় মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ছয় দফা উপস্থাপনের বছর, ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে, বঙ্গবন্ধুর গতিশীল নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। হাজার বছরের দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি লাভ করে বাঙালি জাতি।

 সোনারগাঁও টিভি,


যশোরের শার্শায় ভাই ভাই ফার্মেসি শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে আজ বুধবার বিকাল পাঁচটার সময় শার্শা বাজার অবস্থিত এই নতুন ফার্মেসির  শুভ উদ্বোধন করা হয়



ভাই ভাই ফার্মেসির স্বত্বাধীকার তরিকুল ইসলাম ও সোহাগ হোসেনের পরিচালনায় শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শার্শা থানা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা বাকি বিল্লাহ। এসময় অন্যান্য মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শার্শা থানা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মোয়াজ্জেন মনিরুজ্জামান জামান হোসেন রুহুল আমিন লিয়াকত হোসেন  হারুন-অর-রশিদ বিবিএস নিউজ টুয়েন্টিফোরের প্রধান সম্পাদক শহিদুল ইসলাম সম্পাদক সেলিম আহমেদ বার্তা সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সহ-সম্পাদক রিপোর্টার আব্দুল্লাহ নির্বাহী সম্পাদক ইকরামুল ইসলাম সহ নির্বাহী সম্পাদক মেহেদী হাসান মোল্লা জবস টেলিভিশনের  যশোর জেলা প্রতিনিধি হাসান সহ আরো অনেকে। শুভ উদ্বোধন এর শেষে দোয়া দোয়া কামনা করেন শাশা থানা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা বাকি বিল্লাহ

সোনারগাঁও টিভি, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

যশোরের শার্শার বামুনিয়া সোনাতন কাটি গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী ফারুক হাসানের স্ত্রী ও তার দুই সন্তানকে হত্যার হুমকি দিয়েছে হাফিজুল নামের এক লম্পট।


এ বিষয়ে শার্শা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ঔ প্রবাসীর স্ত্রী।


লম্পট হাফিজুর শার্শা উপজেলার রাড়ীপুকুর গ্রামের ছাক্কু মিয়ার ছেলে।


জানাযায়,কিছুদিন আগে ফারুকের স্ত্রী ও বোন বাগআঁচড়ায় এক গার্মেন্টস এর দোকানে কাপড় কিনতে গেলে হাফিজুল কৌশলে ফারুকের বোনের কাছ থেকে তার স্ত্রীর মোবাইল নম্বর নেয়। এর পর থেকে হাফিজুল প্রবাসীর স্ত্রীকে উত্যাক্ত ও ব্লাক মেলিং করার চেষ্টা করে। 


বিষয়টি বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কবির বকুল ও কায়বা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল মেম্বরকে জানালে তারা বাগআঁচড়া আইসি ক্যাম্পে বসে বিষয়টি নিস্পত্তি করে দেন। কিন্তু এতো কিছুর পরেও হাফিজুল প্রবাসীর স্ত্রীর পিছু ছাড়েনি। 

গত শনিবার (৫ ই জুন) গভীর রাতে ঔ লম্পট হাফিজুর প্রবাসী ফারুকের মেয়ের একটি ছবিতে লাল ক্রসচিহ্ন দিয়ে পাঠায়। তার অপর পিঠে ফারুকের স্ত্রীর উদ্দ্যেশ্যে লেখা ছিলো তোর ও তোর দু মেয়েকে খুন করবো। 


ফারুকের স্ত্রী জানায়, তার স্বামী বিদেশ থাকার সুবাদে আমার নামে মিথ্যা অপবাদ রটিয়ে ব্লাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার উদ্দেশ্য ছিলো হাফিজুলের। এতে ব্যার্থ হয়ে সে আমাদের খুনের হুমকী দিচ্ছে। হাফিজুল একজন নেশাখোর বলেও জানায় প্রবাসীর স্ত্রী। সে আরো জানায় যে, হাফিজুল যে কোনো সময় তাদের মেরে ফেলতে পারে।  এব্যাপারে পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা করে শার্শা থানাতে উপস্থিত হয়ে একটি অভিযোগ  দায়ের করেছে ঔ প্রবাসীর স্ত্রী।


এ ব্যাপারে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) বদরুল আলম খান জানান,একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সোনারগাঁও টিভি,

ইকরামুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি 

যশোরের শার্শা উপজেলার সাতমাইল গরুর হাটের সামনে সাতক্ষীরা টু নাভারন মহাসড়কের পাশে মুর্তির মোড়ে পাকা রাস্তার উপর হতে ২৩ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট  এবং একটি  মটর সাইকেল  সহ ২ জনকে আটক করেছে বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ। 



মঙ্গলবার ( ৮ জুন) সকাল ১১. ২০ মিনিটের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শার্শা থানার (এএসআই(নিঃ)/ মোঃ আকবর হোসেন,  সংগীয় অফিসার ও ফোর্স সহ অভিযান পরিচালনা করে 


নাভারন মহাসড়কের পাশে মুর্তির মোড় সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর হতে ২৩ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি মটরসাইকেল সহ দুই জনকে আটক করেন। 


আটককৃতরা হলেন, মোঃ কামরুল ইসলাম (২৬), পিতা-মোঃ রেজাউল ইসলাম, ২. মোঃ সাগর হোসেন (২০), পিতা-মোঃ ফারুক হোসেন, উভয় সাং-সামটা, থানা-শার্শা, জেলা-যশোর



শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বদরুল আলম খান বলেন  ২৩ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, ও একটি মোটরসাইকেল সহ দুই জনকে আটকের বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন। এই বিষয়ে শার্শা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের মামলা রুজু হয়েছে।

 সোনারগাঁও টিভি,

সাজানো-গোছানো, আধুনিক পরিপাটি সৌন্দর্যে  মনোমুগ্ধকর দৃষ্টিনন্দন এক পরিবেশ সৃষ্টিকারীর নাম "দ্যা ব্রাইডাল ইভেন্ট এন্ড ক্যাটারিং"।

সারা বাংলার ঐতিহাসিক রাজধানী সোনারগাঁয়ে "দ্যা ব্রাইডাল ইভেন্ট এন্ড ক্যাটারিং " এর রুপকার মোঃরাকিবুল হাসান এর হাত ধরে সোনারগাঁয়ে  ২০১৭ খৃষ্টাব্দে সর্বপ্রথম ইভেন্ট সার্ভিসের এর শুভ-সূচায়িত হয়। যার আঙ্গিনায় সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষী দাড়িয়েছে প্রায় ২০,০০০ (বিশ হাজার), যাদের সহযোগিতায় সোনারগাঁও সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সুদক্ষতার সাথে সম্পুর্ণ  হয়েছে অসংখ্য অনুষ্ঠান। বিয়ে, গায়ে হলুদ, বউবাদ,জন্মদিন,ইত্যাদি।


কোম্পানির প্রধান উদ্যোক্তা ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃরাকিবুল হাসান সকল সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সবার উদ্দেশে বলেন  আপনার স্বপ্ন আমাদের বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা। আপনার যে কোনো অনুষ্ঠানের আনন্দঘন মূহুর্তগুলোকে সুন্দর ও সুচারুভাবে সাজিয়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের।
তাই আপনার জীবনের আমরা  এই দিনটি নতুন করে  সাজাতে প্রস্তুত।  আপনার চাহিদা ও বাজেট অনুযায়ী যেকোনো ধরনের স্টেজ, গেট,ফটো বূধ, ইত্যাদ্দি আভ্যন্তরিন পরিবেশকে নান্দনিক ও চমকপ্রদ ডেকোরেট করার কথা দিচ্ছি । আমরা বাজেটবান্ধব প্রোগ্রাম পরিকল্পনার দায়িত্ব নিই। গ্রাহকদের বাজেটই আমাদের কাছে মুখ্য।
যে কোন অনুষ্ঠান যারা সুন্দর ও পরিপাটি ভাবে করতে চান অথচ সময় সুযোগ হচ্ছেনা বা বুঝতে পারছেন না কি করনীয়, তাঁদের সহযোগিতায় সর্বদা প্রস্তুত।
তাই দেরি না করে এখনি বুকিং দিন।
মোবাইলঃ- +৮৮০১৯২২৮৮১৪২৯  +৮৮০১৯৭৭৬৬৪৬০১
ঠিকানাঃ-মোগরাপাড়া,চৌরাস্তা, সোনারগাঁও,নারায়ণগঞ্জ
"দ্যা ব্রাইডাল ইভেন্ট এন্ড ক্যাটারিং"
সোনারগাঁয়ে আমরাই প্রথম আমরাই সেরা।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget