Latest Post

সোনারগাঁও টিভি,

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল ভূইয়া মামুন ও এডভোকেট মাসুমা সুলতানার এক মাত্র মেয়ে ফাইজার শুভ জন্মদিন, এ উপলক্ষে সোনারগাঁ সহ দেশবাসীর কাছে  দোয়া চেয়েছেন মামুন দম্পতি। 


সোনারগাঁও টিভি,

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় আওয়ামীলীগের আহবায়ক কমিটির নেতৃবৃন্দ দলের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারা বুধবার সকালে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা উপজেলার দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তেলন করেন। পরে সকাল সকাল ১০ টায় সোনারগাঁ উপজেলা চত্বরে অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন।



জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দোয়া মোনাজাত করা হয়।


এসময় উপস্থিত ছিলেন, সোনারগাঁ উপজেলা আওয়ামীলীগের আহ্বায়ক কমিটির  আহবায়ক এডঃ সামসুল ইসলাম ভূঁইয়া, যুগ্ন আহবায়ক  সাবেক সাংসদ আব্দুল্লাহ আল কায়সার হাসনাত ও যুগ্ন আহবায়ক ও পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান  আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম,জেলা পরিষদের সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান মাসুমসহ  আহবায়ক কমিটির সকল সদস্য বৃন্দ৷


উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও পিরোজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুম বলেন, মহামারি করোনার কারণে দেশের করোনা সংক্রমণ কমিয়ে আনার লক্ষ্যে আমারা দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মোতাবেক গতবারের মতো এবারও সীমিত পরিসরে দলের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছি।

 সোনারগাঁও টিভি,

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পৃথিবীর বিখ্যাত হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালার গল্প কে না জানে? তার বাঁশির সুরে গর্ত থেকে বের হয়ে এসেছিল শহরের সব ইঁদুর। প্রায় ৭০০ বছরের বেশি আগে জার্মানির ছোট্ট শহর হ্যামিলিনে ঘটেছিল বিখ্যাত এ ঘটনাটি। গল্পটি লিখেছেন ইয়াকপ গিম ও ভিলহেল্ম গিম ভ্রাতৃদ্বয়। যারা জার্মান পৌরাণিক কাহিনি ও লোককাহিনি সংগহ ও প্রকাশ করতেন। যদিও অনেকের মতে, জার্মানির উত্তর-পূর্বে স্লাভ-অধ্যুষিত অধিবাসীদের ভয়ংকর প্লেগ রোগের কারণে দেশান্তরি হওয়ার বিষয়টিকে বাঁশিওয়ালার প্রতীকী রূপ হিসেবে মনে করা হয়, তবু ঘটনাটি বিশ্ব ইতিহাসে কিংবদন্তি হয়ে আছে।


কিন্তু যশোরের অজপাড়াগাঁয়ে বাঁশির সুরে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি উড়ে এসে বাঁশিওয়ালার গায়ে বসার দৃশ্যটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই কারও। মৌমাছির ভিড়ে একসময় দেখা যায় না তার শরীর। এমন অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখতে উৎসুক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন মাহাতাব মোড়লের বাড়িতে। তার এমন দৃশ্য রীতিমতো অবাক করেছে স্থানীয়দের। নাম মাহাতাব মোড়ল হলেও সবাই চেনে ‘মৌমাছি মাহাতাব’ নামে। যশোরের কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর গামে তার বাড়ি।

তার বাবার নাম মৃত কালাচাঁদ মোড়ল। ছোটবেলা থেকেই মৌচাক থেকে মধু আহরণ করতে শুরু করেন মাহাতাব। ওই সময় বালতিতে শব্দ করে চাক থেকে মৌমাছি দূরে সরিয়ে দেওয়ার কৌশলও রপ্ত করেন তিনি। এরপর টিনের থালায় শব্দ শুনে মৌমাছি চাক ছেড়ে তার কাছে আসতে শুরু করে। কাছে আসার এমন দৃশ্য থেকে মধু সংগহকারী এ পতঙ্গের প্রতি তার ভালোবাসা জন্মায়। সুন্দরবনসহ সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোর অঞ্চলে মৌচাক থেকে মধু সংগহ করেন তিনি।

আর এই মধু সংগহ করেই তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার চলে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মাহাতাব ছোটবেলা থেকে মধু সংগহ করেন। তবে কীভাবে মৌমাছিকে পোষ মানালেন, সেটা সত্যিই অবাক করার বিষয়। মৌমাছির হুল বসানোর ভয়ে মানুষ ভয়ে পালায়। সেখানে তার বাঁশির সুরে শুনে উড়ে চলে আসে মৌমাছি। বিষয়টি অবাক করার মতো।

মাহাতাব মোড়ল জানান, তার বাড়ি ছিল সুন্দরবন-সংলগ্ন কয়রা উপজেলায়। সুন্দরবনসহ সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোর অঞ্চলে তিনি ছোটবেলা থেকে বাবার সঙ্গে মৌচাক থেকে মধু সংগহ করেন। মধুর মৌচাক থেকে মধু সংগহ করতে গিয়ে মৌমাছির প্রতি তার ভালোবাসা জন্মায়। বাড়ির পাশেই একটি মৌমাছির মৌচাক রয়েছে। বাঁশি বাজালে সুর শুনে হাজারো মৌমাছি এসে বসে।

মৌমাছি বসতে বসতে শরীর তার মৌচাকের আকার ধারণ করে। কৌশলগত ওই সুর শুনে এখন হাজারও মৌমাছি তার শরীরে জড়ো হয়। বাঁশি বাজানো বন্ধ করলে মৌমাছি চলে যায়। মৌমাছি শরীরে কামড় দেয় কি না, জানতে চাইলে মাহাতাব বলেন, এর জন্য শরীরকে আগে থেকেই প্রস্তুত করতে হয়। তাদের আঘাত না করলে একটি মৌমাছিও শরীরে হুল বসায় না।

মাহাতাবের মতে, মৌমাছি হিংস্রতা দেখালেও তার কাছে মৌমাছির হিংস্র আচরণ কখনোই চোখে পড়েনি। ভালোবাসায় সব হিংস্রতা জয় করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। তিনি জানান, এক বছর ধরে মৌমাছির সঙ্গে কৌশলগত সখ্য থাকলেও মৌমাছির সঙ্গে গভীর প্রেম সেই ছোটবেলা থেকেই। এটি কেবল মৌমাছির প্রতি ভালোবাসা থেকেই করা সম্ভব হয়েছে।

এতে কোনো অসৎ উপায় ও তন্ত্র-মন্ত্র নেই। বাড়িতে বাঁশি বাজিয়ে পাঁচ মিনিটেই তিনি শরীরে হাজারো মৌমাছি জড়ো করতে পারেন। কাজটি ঝুঁকিপূর্ণ হলেও অভ্যাস হয়ে যাওয়ায় কোনো ভয় লাগে না বলে জানান তিনি। পোকের (মৌমাছি) সঙ্গে বন্ধুত্ব করার দৃঢ় ইচ্ছা থেকেই মাহাতাব মৌমাছিকে কাছে আনতে সক্ষম হয়েছেন। আর প্রথম দিকে খারাপ লাগলেও বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এ কাজ দেখতে আসায় এখন খুশি মাহাতাবের স্ত্রী ফুলজান বেগম। প্রথমে তার এই কাজ আমি পাগলামি মনে করে অনেক বকাঝকা করতাম। নিজের মধ্যে খুব ভয় করত। জানি না কখন কী হয়ে যায়।

মৌমাছিরা কামড় দিলে তো মারাও যেতে পারে, এই ভয়ে। তিনি এখন অসম্ভব জিনিস সম্ভব করেছে। লোকজন এখন তার এই দৃশ্য দেখতে বাড়িতে ভিড় করে সকাল-সন্ধ্যা। আমার খুব ভালো লাগছে। ফুলজান বেগম পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন থেকে মাহাতাবের এই দৃশ্য দেখতে আসা তোফাজ্জেল হোসেন মানিক বলেন, আমি শুনেছি মাহতাব নাকি বাঁশি বাজিয়ে মৌমাছি নিয়ে আসেন। তাই দেখতে এসেছি। এত দিন শুনেছি হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার গল্প, আজ নিজ চোখে দেখলাম মৌমাছির বাঁশিওয়ালা।

এখন দেখার পরে বিশ্বাস করছি এই বাঁশিওয়ালার গল্প। এখানে এসে বুঝলাম মানুষ চাইলে অনেক কিছু করতে পারে। প্রতিবেশী সালাম হোসেন জানান, মাহাতাব দীর্ঘদিন ধরে মধু সংগহ করে আসছেন। মধু সংগহের ফলে মৌমাছি সম্পর্কে তার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে এই মৌমাছির সঙ্গে বন্ধুত্ব সৃষ্টি করতে পেরেছেন তিনি। বাঁশি বাজিয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি উড়িয়ে তার শরীরে নিয়ে আসেন। সরাসরি এই দৃশ্য না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবে না কেউ। স্থানীয় স্কুলশিক্ষক মোশাররফ হোসেন জানান, মাহাতাব যখন বাঁশির সুর তোলে, তখন সারা শরীরে মৌমাছি উড়ে এসে মাহাতাবের শরীরে জড়ো হয়।

দৃশ্যটি দেখে হতবাক হয়েছি। তবে মাহাতাবের এই কাজের মধ্যে কোনো কৌশল বা লুকোচুরি আছে কি না, বলতে পারব না। কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রভাষক জুলমত আলী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মাহাতাব মধু সংগহ করে বেড়ান। কৌশল আয়ত্ত করে তিনি বাঁশির সুরে মৌমাছি তার শরীরে আনেন শুনেছি। বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ তার বাড়িতে আসছে এ দৃশ্য দেখতে। তবে আমি কখনো সরাসরি দেখিনি।

যশোর সরকারি মহিলা কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নার্গিস শিরীন বলেন, মৌমাছিদের মধ্যে নিজস্ব ভাষা আছে। তারা ওই ভাষাতেই একে ওপরের সঙ্গে কথা বলে। তবে বাঁশির সুরে মৌমাছি আকৃষ্ট হয়, এটা আমার জানা নেই। আমি বইপুস্তকেও এটা পাইনি। বাঁশির সুরে মৌমাছি আকৃষ্ট হয়ে মানুষের গায়ে উড়ে এসে বসে, এটার সুযোগ নেই। তবে মৌমাছিরা তো মধুর ওপর আকৃষ্ট হয়, তাই কেউ যদি তার শরীরে মধু, হরমোনযুক্ত সুগন্ধি স্প্রে করে, তখন উড়ে এসে মৌমাছিরা বসতে পারে বলে জানান তিনি।

সোনারগাঁও টিভি,


গৌরব, ঐতিহ্য ও সংগ্রামের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সফল ও স্বার্থক হোক কামানা করেন  সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য   ও সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহামুদা আক্তার ফেন্সী   ।


বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ একই সূত্রে গাঁথা, সে ঐতিহ্যবাহী আওয়ামী লীগ আজ বাংলাদেশ কে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আওয়ামী লীগ প্রথমবারের মত সরকার গঠন করে। ৭৫-এর ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে দলটির হাল ধরেন শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালি জাতির হারানো গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের এক নবতর সংগ্রামের পথে যাত্রা শুরু করে আওয়ামী লীগ। ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে ফের ক্ষমতায় আসে দলটি। আর ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ যে জয়যাত্রা শুরু করেছে, পরবর্তী দুই নির্বাচনেও তা সফলভাবে ধরে রেখেছে দলটি। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো দল হিসেবে টানা তিন মেয়াদে সরকার পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

সোনারগাঁও টিভি,

 বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। বাঙালি জাতির মুক্তিসংগ্রাম ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছে এই দল। আওয়ামী লীগের হাত ধরেই রচিত হয়েছে পাকিস্তানি শোষকদের বিরুদ্ধের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রাম। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে, টানা ৭২ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের ইতিহাস সংগ্রাম, সৃষ্টি, অর্জন ও উন্নয়নের ইতিহাস। ২০২১ সালের ২৩ জুন, 


দলটির ৭২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষির্কী ও ৭৩তম জন্মদিন। এই দীর্ঘ সময়ে নানা উত্থান-পতন, সংঘাত ও সম্মিলনের মধ্য দিয়ে দলটি বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই দল প্রতিষ্ঠার সময় তরুণ শেখ মুজিবুর রহমান যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পান। প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা হিসেবে, শুরু থেকেই দেশজুড়ে নেতাকর্মীদের আস্থার প্রতীকে পরিণত হন তিনি, রাজনৈতিক দূরদর্শিতার বলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র কাণ্ডারী হয়ে ওঠেন দ্রুততম সময়ে। পরবর্তীতে দলের সাধারণ সম্পাদক অসুস্থ হয়ে গেলে বঙ্গবন্ধুই ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন শুরু করেন। সেই ভার থেকে আর কখনোই মুক্ত হতে পারেননি। আমৃত্যু দেশসেবার কাজে ব্রত ছিলেন তিনি। স্বাধীন বাংলাদেশে যেমন বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের হাতে তৈরি, তেমনি আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার অদম্য নেতৃত্বের কারণেই আমরা পেয়েছি।

বঙ্গবন্ধু যে দলের ভিত্তি দিয়েছেন, সেই দলকে এখনো বহন করে চলেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। একাধিকবার ঘাতকের বুলেট-বোমার সামনে নিজের জীবনকে বিপন্ন করতে হয়েছে, তবুও দলের রক্ষাকবচ হয়ে থেকেছেন তিনি। একারণেই বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি আবেগের নাম। এই দলের সব সদস্য মিলে একটি পরিবার। এ পরিবারই বাংলাদেশের বৃহত্তর পরিবার। দলটির প্রতিষ্ঠাতা নেতা-কর্মীদের মধ্যে আজ অনেকেই জীবিত নেই। কিন্তু আওয়ামী লীগ আছে এবং শুধু তাই নয়, এখনো দেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ৫০ বছরের বাংলাদেশের সাড়ে ২৩ বছর দেশশাসন করার সুযোগ পেয়েছে দলটি। এই সাড়ে ২৩ বছর আওয়ামী আমলের মধ্যে, ২০ বছরের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের জন্মকথা

১৯৪৭ সালে দেশভাগ হয়। এরপরেই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত হনে পাকিস্তানিরা। কিন্তু তাদের অপচেষ্টা রুখে দিতে শুরু থেকেই মাঠে নামেন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান। দেশভাগের আগে, প্রভাবশালী ছাত্রনেতা হিসেবে পুরো ভারতবর্ষ চষে বেড়িয়েছেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ঢাকায় ছাত্রলীগ নামের একটি ছাত্র সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। এরপরের বছরেই গঠিত হয় আওয়ামী লীগ। ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে সেসময় তাকে জেলে বন্দি করে রেখেছিল পাকিস্তানি জান্তারা। আওয়ামী লীগ গঠনের ব্যাপারে দলের সিনিয়র নেতারা তার মতামত নেওয়ার জন্য জেলেও বার্তাবাহক পাঠান। তিনি নিজে সরাসরি ছাত্র সংগঠন না করে, মূল দরে থাকার ব্যাপারে মত দেন। এরপর ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন বিকালে ঢাকার কেএম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে গঠিত হয় নতুন একটি রাজনৈতিক দল পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি এবং শামসুল হককে করা হয় সাধারণ সম্পাদক। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান। পরবর্তীতে এই দলের নাম পরিবর্তন হয়ে হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

১৯৫৩ সালের ৯ জুলাই পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে শেখ মুজিবুর রহমান দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তৎকালীন পূর্ব বাংলার সমস্ত জেলায় দলের কমিটি গঠন করায় তৎপর হন এবং ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত করে আওয়ামী লীগকে জনগণের কাছে জনপ্রিয় করে তোলেন।

কিন্তু ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পরও বঙ্গবন্ধুকে কারাগারে যেতে হয়। সে সময়ে, ৩০ মে ১৯৫৪ থেকে ২৩ ডিসেম্বর ১৯৫৪ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ২০৬ দিন কারাভোগ করেন। ১৯৫৫ সালের ২১ অক্টোবর, আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শেখ মুজিব দলের নাম থেকে ‘মুসলিম' শব্দটি প্রত্যাহারের প্রস্তাব পেশ করলে, আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। কাউন্সিল অধিবেশনে তিনি পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৫৭ সালের ৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারিতে আওয়ামী লীগ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় কাগমারিতে এবং একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল সাংস্কৃতিক সম্মেলন। একই বছর ৩০ মে দলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, একই ব্যক্তি একসঙ্গে সরকার ও সংগঠনের দুটো পদে থাকতে পারবেন না। শেখ মুজিব দলকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক আইন জারির পর, বঙ্গবন্ধু ১১ অক্টোবর গ্রেফতার হন। এ সময়ে টানা ১ হাজার ১৫৩ দিন তাকে কারাগারে কাটাতে হয়, ৮ ডিসেম্বর ১৯৬১ পর্যন্ত। সামরিক জান্তাদের কারণে দেশে মূলত রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়ে পড়ে। ১৯৬৪ সালের ২৫ জানুয়ারি নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত এক সভায় আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করেন বঙ্গবন্ধু। ওই সভায় দেশের প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটের মাধ্যমে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবি এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায় সম্বলিত প্রস্তাব গৃহীত হয়। সভায় মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান যথাক্রমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ছয় দফা উপস্থাপনের বছর, ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে, বঙ্গবন্ধুর গতিশীল নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন করে বাংলাদেশ। হাজার বছরের দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে মুক্তি লাভ করে বাঙালি জাতি।

সোনারগাঁও টিভি,

আজ ২২ জুন রোজ মঙ্গলবার সরকার ঘোষিত নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ আরও ৭ জেলায় কঠোর লকডাউন ঘোষণা,


বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলার  সোনারগাঁ উপজেলা বাসিকে সচেতনতা করার লক্ষ্যে দিনরাত ক্লান্তিহীন ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আতিকুল ইসলাম।

জনসাধারণের জানের নিরাপত্তা বিধানে সরকার ঘোষিত প্রতিটি নির্দেশনা বাস্তবায়নে রাতদিন পথেঘাটে উপস্থিত থেকে মানুষের কল্যাণে নিবেদিত প্রাণ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা আতিকুল ইসলাম। 

আজ থেকে জারি করা সরকারের সর্বাত্বক লকডাউন বাস্তবায়নে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে জননিরাপত্তার কথা ভেবে সোনারগাঁয়ের এক প্রান্ত থেকে ছুটে চলেছেন অন্য প্রান্তে।



MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget